রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60

শিরোনাম

ভিন্ন রঙে আঁকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আত্মহত্যা সমাধান নয় যেভাবে প্রাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখতে চাই অত:পর, কোন একদিন...... দ্রুত ওজন কমানোর কিছু কৌশল জাপানের সুমিতমো বৃত্তি পেল ঢাবির ৪০ শিক্ষার্থী চীন যাচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) বাগেরহাটের ১০ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ও তরুণ প্রজন্ম জাপান সরকার দিচ্ছে মেক্সট স্কলারশিপ উচ্চ মাধ্যমিকের পর ক্যারিয়ার পরিকল্পনা মাসের খরচের টাকা বাঁচিয়ে ব্যতিক্রম লাইব্রেরি চালান রাজশাহীর বদর উদ্দিন ঢাকায় প্রথম পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমস সামিট ২৬ অক্টোবর রাজনীতি-ক্ষমতা ও তারুণ্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও তারুণ্য

দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই প্রাঞ্জলের ইতিহাস

মাত্র ছয় বছর বয়সে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন ভারতের মহারাষ্ট্রের মেয়ে প্রাঞ্জল পাতিল। তবে এ প্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি তাঁকে; বরং সব প্রতিবন্ধকতা জয় করেই ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ভারতের ইতিহাসের প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নারী হিসেবে আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রাঞ্জল।

ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি সরকারি চাকরির মধ্যে অন্যতম ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস বা আইএএস। পুরো দেশের প্রশাসনিক দায়িত্বভার সামলে থাকেন এই বিভাগের কর্মকর্তারা। ১৪ অক্টোবর ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজধানী তিরুবনন্তপুরমের সাব-কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রাঞ্জল। আর এর মাধ্যমেই ইতিহাসের অংশ হয়েছেন তিনি।

প্রাঞ্জলের ইতিহাস গড়ার পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করে ২০১৬ সালে প্রথমবার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রথমবারেই বাজিমাত করেন প্রাঞ্জল, অসংখ্য পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৩৩তম স্থান দখল করেন। কিন্তু ভারতীয় রেলওয়ে অ্যাকাউন্টস সার্ভিস তাঁকে দৃষ্টিহীন হওয়ার অজুহাতে চাকরি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। মনোবল না হারিয়ে প্রাঞ্জল আবার নতুন করে লড়াইয়ে নামেন। ২০১৭ সালে আবারও পরীক্ষায় অংশ নেন। সেবার আরও ভালো ফল করেন, হন ১২৪তম। এবার আর তাঁকে চাকরি না দিয়ে পারেনি প্রশাসন। এক বছর কেরালার এরনাকুলাম শহরে সহযোগী কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তাঁকে তিরুবনন্তপুরমের সাব–কালেক্টর পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। নতুন কার্যালয়ে প্রথম দিন প্রাঞ্জলের সহকর্মীরাও তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।


ইতিহাস গড়ার পর প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে প্রাঞ্জল বলেন, ‘এই দায়িত্ব পেয়ে আমি ভীষণ খুশি ও গর্বিত। কাজ করতে করতে আমি এই এলাকা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারব। এতে আমার পরিকল্পনা করতেও সুবিধা হবে।’

তাঁর মতো অন্য অনেক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীকে অনুপ্রেরণা দিতে প্রাঞ্জল বলেছেন, ‘আমাদের কখনোই হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। চেষ্টা করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যটা একদিন ঠিকই ধরা দেবে।’


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া