রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60

শিরোনাম

ভিন্ন রঙে আঁকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আত্মহত্যা সমাধান নয় যেভাবে প্রাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখতে চাই অত:পর, কোন একদিন...... দ্রুত ওজন কমানোর কিছু কৌশল জাপানের সুমিতমো বৃত্তি পেল ঢাবির ৪০ শিক্ষার্থী চীন যাচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) বাগেরহাটের ১০ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ও তরুণ প্রজন্ম জাপান সরকার দিচ্ছে মেক্সট স্কলারশিপ উচ্চ মাধ্যমিকের পর ক্যারিয়ার পরিকল্পনা মাসের খরচের টাকা বাঁচিয়ে ব্যতিক্রম লাইব্রেরি চালান রাজশাহীর বদর উদ্দিন ঢাকায় প্রথম পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমস সামিট ২৬ অক্টোবর রাজনীতি-ক্ষমতা ও তারুণ্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও তারুণ্য

দ্রুত ওজন কমানোর কিছু কৌশল

ইয়ুথ জার্নাল ডেস্ক

শুধু ওজন কমানোই নয়, হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সবটাই এই ডায়েটের অন্যতম কাজ। কম সময়ে বেশি ওজন কমাতে চাইলে ভেরি লো ক্যালোরি ডায়েট বা ‘ভিএলসিডি’ এর জুড়ি নেই। পুষ্টিবিদ রোগীর অবস্থা বুঝে খুব হিসেবনিকেশ করে এমন ডায়েট চার্ট বানিয়ে থাকেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনও জল বা অন্য লো ক্যালোরি তরলে কেনা পাউডার মিশিয়েও বানানো যায়।

সাধারণ লো ক্যালোরি অর্থাৎ ১০০০–১৬০০ ক্যালোরি ডায়েটের বদলে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনে ভরপুর ৬০০–৮০০ ক্যালোরির ডায়েট খেলে ২–৩ গুণ বেশি ওজন কমবে। মেয়েদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক থেকে দেড় কেজির মতো কমে, ছেলেদের কমে দেড় থেকে দুই কেজি।

বিশেষ়জ্ঞরা পরামর্শ দেন শ্বাসকষ্ট, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ইত্যাদি থাকলে বিএমআই ২৭ এর উপরে হলেও খাওয়া যায়। ডায়াবিটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে কম খাবারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ওষুধের মাত্রা না কমালে সুগার বা রক্তচাপ অনেক কমে গিয়ে পরিস্থিতি বিপরীত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরো পরামর্শ দিয়েছেন, খাবারের পরিমাণ আস্তে আস্তে কমিয়ে ও তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পুষ্টি বাড়িয়ে শরীর এই খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তখন শুরু হয় ভিএলসিডি। প্রথম দিকে, যখন ওজন দ্রুত কমে, প্রতি সপ্তাহে অবশ্যই ডাক্তার দেখানো খুবই দরকার।

এঅবস্থায় পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া এক পাও চলা যাবে না। ভিএলসিডি এর পর্ব শেষ হলে এলসিডিতে যেতে হবে অন্তত ৩ মাস। ধীরে ধীরে খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে হবে এই সময়।

তবে পুষ্টিবিদরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ওজন কমানোর বিষয়ে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ্য করেন যে ৬০০ ক্যালোরি সলিড ডায়েটের ক্ষেত্রে, সকালে মাখন বা জ্যাম ছাড়া ১ টা টোস্ট, ২৫ গ্রাম ছানা/১ টা ডিমের সাদা অংশ (সেদ্ধ বা পোচ করে), ১ কাপ চিনি ছাড়া চা। বেলা ১০–১১ টা নাগাদ মুসাম্বি, আপেল, পেয়ারা, পাকা পেঁপে–র মধ্যে যে কোনও একটা ফল, অন্তত ১০০ গ্রাম। দুপুর ১টায় আধ কাপ ভাত বা একটা ছোট রুটি (২৫ গ্রাম), আধ বাটি ডাল (১৫ গ্রাম) অথবা আধ বাটি টক দই (১০০ গ্রাম), সঙ্গে ছোট মাছ অথবা এক-দু’ টুকরো চিকেন (৩০ গ্রাম), সবুজ তরিতরকারি, স্যালাড।

বিকেল ৩টে নাগাদ ১ কাপ চা (চিনি ছাড়া) ও একটা ক্রিম ক্র্যাকার বিস্কুট সন্ধেয় মুসুর ডাল সেদ্ধ, সালাড, আর একটা সেদ্ধ বা পোচ করা ডিম। রাত্রি ৮টা নাগাদ ১ কাপ ভেজ ক্লিয়ার স্যুপ, ১টা ছোট রুটি, সবুজ তরিতরকারি, সালাড৷ ঘুমনোর আধ ঘণ্টা আগে এক কাপ মাখন তোলা দুধ খাওয়া দরকার।

এছাড়াও ওই প্রতিবেদনে পুষ্ঠিবিদরা আরো উল্লেখ্য করেন যে, ৬০০ ক্যালোরি লিকুইড ডায়েটের ক্ষেত্রে সকাল ৬টায় এক কাপ চা (চিনি ছাড়া)। সকাল ৮ টায় এক কাপ মাখন তোলা দুধ, সকাল ১০ টায় ১ কাপ ফলের রস (তিনটে মুসাম্বি বা কমলালেবু দিয়ে বানানো)। বেলা ১২ টায় আধ কাপ পরিজ/ডালিয়া (২৫ গ্রাম), সঙ্গে ১ কাপ সব্জি বা টমেটো স্যুপ রাখুন ডায়েটে। বিকেল ৩টেয় এক কাপ ফলের রস (তিনটে মুসাম্বিলেবু দিয়ে বানানো) সন্ধে ৬টা নাগাদ ১ কাপ ভেজিটেবল বা টমেটো স্যুপ। রাত ৮টা নাগাদ ছোট এক বাটি পাতলা খিচুড়ি ও রাত ঘুমনোর আগে এক কাপ মাখন তোলা দুধই যথেষ্ট।