First Youth News Portal in Bangladesh

add 468*60
শিরোনাম
৭ মার্চের ভাষণ ও তারুণ্য ভাবনা স্বপ্নে বিভোর অপার তারুণ্য হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী ভিন্নদৃষ্টি'র পাঠশালার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ তরুণদের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ যুবসমাজের সাংস্কৃতিক বিনিময় বিশ্ব শান্তির সেতু নির্মাণ করে তরুণ প্রজন্ম ও টেকসই উন্নয়ন দিবসের মারপ্যাঁচে তরুণ প্রজন্ম সুন্দরবন অ্যাডভেঞ্চারে সিয়াম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োটেক ফেস্ট ২০২০ অনুষ্ঠিত দল বেঁধে মাঠে চাকরির পাঠে সাইকেল চালিয়ে খারদুংলা জয় বিশ্বকাপ সেরা একাদশের অধিনায়ক আকবর আলী ভ্যালেন্টাইন’স ডে কীভাবে কাটাবেন? মাত্র ৪ মাসে কোরআনে হাফেজ ৯ বছরের আউয়াল মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘কালি ও কলমে’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ যে কারণে প্রেমের প্রস্তাব পাননি দিশা ভালোবাসা দিবসে সানি লিওনির পরিকল্পনা প্রাথমিকে শিক্ষক নেই, ক্লাস নেন মসজিদের ইমাম চার বছর পর বিয়ের স্বীকারোক্তি প্রপোজ ডে আজ, মনের কথাটি কীভাবে জানাবেন? চবিতে ৫ টাকায় ভেন্ডিং মেশিনে স্যানিটারি ন্যাপকিন কলকাতা বইমেলায় অংশ নিচ্ছেন দুই ডাকসু নেতা 'ভালোবানার ষড়ভুজ' নিয়ে বই মেলায় উপমা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সাইকেল চালিয়ে ‘নিরব বিপ্লব' ১৩ বছরেই ১৫ লাখ ফলোয়ার! একুশে গ্রন্থমেলায় শিশুপ্রহর রাজন সাহার ভালোবাসা দিবসের আয়োজন নেহা-আদিত্যর বিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ব্যানার থেকে তৈরি হলো স্কুল ব্যাগ তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব নাটুয়ার ‘মাইক মাস্টার’ করোনাভাইরাস কতটা প্রতিরোধ করবে মাস্ক? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু ২০ গুণীজন পেলেন একুশে পদক প্রতিবন্ধী সন্তানের গলায় রশি বেঁধে ভিক্ষা করেন মা ‘পঁচা’ মাংস খাওয়ানো হল ঢাবির ক্যান্টিন মালিককে মাস্ক সংকটে চীন প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরলে কমবে ব্লাড প্রেসার রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি শাকিল, সম্পাদক বিপ্লব কক্সবাজারে সৈকত সাংস্কৃতিক উৎসব শীতে সর্দি-কাশি ঝড় তুললেন দুই লাতিনকন্যা যে বইয়ের পাতা উল্টাতে লাগে ৬ জন! টানা ৪০ দিন নামাজ পড়ে সাইকেল পেলো ১৫ কিশোর কুবিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত ১৪ ঘন্টা ২২ মিনিটে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ নবজাগরণ সৃষ্টি হোক সর্বত্র উহানে খাবারের অভাবে ১৭২ বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রী! নেটফ্লিক্সে ‘তাজমহল ১৯৮৯’ মায়েদের চেয়ে সফল ৬ বলিউডকন্যা রাবিতে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে ১৫ বিদেশি শিক্ষার্থী মুখ দিয়ে লিখে পরীক্ষা দিচ্ছে ঈশ্বর ঢাবি থেকে বহিষ্কৃত ৬৩ শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ বাংলাদেশি তরুণ সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ সুযোগ হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে ওয়েব সিরিজ শুক্রবার শুরু ঢাকা আর্ট সামিট জঙ্গল অভিযানে বেয়ার গ্রিলসের সঙ্গী এবার বিরাট-দীপিকা যত্রতত্র কান পরিষ্কার নয় করোনাভাইরাস: মাস্ক আপনাকে কতটুকু রক্ষা করবে? নির্বাচনী পোস্টারে পথশিশুদের খাতা! তরুণদের ভাবনায় নিরাপদ সড়ক সেন্টমার্টিন পরিষ্কার করলো চুয়েটের শিক্ষার্থীরা নিজেকে একটা ব্র্যান্ড বানাতে হবে নারীর হাতে স্টিয়ারিং কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি এড়াবেন যেভাবে প্রেমিকের খোঁজে মিমি বলিউডে করোনাভাইরাস আতঙ্ক জলবায়ু আন্দোলনে গ্রেটারের আহবান তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ‘তারুণ্য’ একুশে গ্রন্থমেলায় বিকশিত হোক তরুণ ভাবনার ৫০টি পাসওয়ার্ড বিপজ্জনক করোনা ভাইরাস: সচেতনতা ও করণীয় অফ-ফেসবুক অ্যাকটিভিটি’ টুল ফিচার যুক্ত করেছে ফেসবুক নিয়মিত খেলাধুলাই পারে যুবসমাজকে মাদকের নেশা দুরে রাখতে উত্ত্যক্তের শিকার নাদিয়া মিম মারিয়া নূরের ভ্যালেন্টাইনস ডে-২০২০ নারী উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ওপর ফ্রি ওয়ার্কশপ বিজ্ঞাপনের মডেল ববি বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী উপমা সমাবর্তনের উচ্ছ্বাসে মুখর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস দেশেই পিএইচডি শীতে ছেলেদের ত্বকের যত্নে ১১ পরামর্শ যেসব লক্ষণে বুঝবেন করোনাভাইরাস কারাতের ‘সেনপাই’ দয়ীতা স্বর্ণপদকজয়ী বেরোবি শিক্ষার্থী হাবিবার গল্প অনলাইনে কেনাকাটায় থাকুন সতর্ক শ্রাবন্তীর ভিডিও ফাঁস করলেন স্বামী শিশু ঘুমের মধ্যে নাক ডাকছে, কী করবেন? “স্বপ্নবাজ” স্টার্লিং ডি মামুনের গল্প শিক্ষাব্যবস্থা ১৮০ ডিগ্রি বদলে উদ্যোক্তার দিকে ধাবিত হতে হবে হৃদয়ে প্রেমের স্মৃতি | মাসুদুর রহমান মান্না ভিন্নদৃষ্টি'র পাঠশালাতে শীতবস্ত্র বিতরণ গৌরব-ঐতিহ্য ও আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রলীগ শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনমানুষকে সম্পৃক্তকরণ জরুরি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে নারীরা পাঁচ বছর বয়সেই গিনেজ রেকর্ড! প্রেমের সম্পর্ক যেভাবে চাঙা রাখবেন ঢাবির প্রতিটা হল গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্নার গর্ভকালীন মায়ের খাবার স্বরুপে ফিরলেন শাকিরা কী কী কারণে দাঁত ক্ষয় হয়? শীতে রুক্ষ চুল ও খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় আবার বাংলা ছবিতে বিদ্যা বালান বিল গেটসের নায়ক বাংলাদেশি বাবা-মেয়ে তরুণ উদ্যোক্তা সম্মেলন ২৪ জানুয়ারি ১০ বছরের অ্যাপ ডেভেলপার ঢাবি সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার এলামনাই এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার সমস্যা ও সম্ভাবনা সৃজিত সম্পর্কে কথা বললেই থাপ্পড়! মুখ দিয়ে লিখেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১২ বছর প্রতিদিন স্কুলে উপস্থিত রাইদ ১২ বছর প্রতিদিন স্কুলে উপস্থিত রাইদ চলচ্চিত্রে মিথিলার ছোট বোন মিশৌরী বাংলাদেশি ২১ শিক্ষার্থী অর্জন করল টপ ইন ওয়ার্ল্ড রোকেয়া হলে রোকেয়া দিবস পালিত নতুন বছরে সালমার প্রথম গান ‘পাঁজর’ শাবিপ্রবি  জিতেছে শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাওয়ার্ড মুকুট প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ববির ৫ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নবজাগরণ সৃষ্টি হোক বাড়ন্ত শিশুর খাদ্য তালিকায় যা রাখবেন মঞ্জুর মোর্শেদ রুমনের দুটি ছড়া ফ্যামিলি ক্রাইসিসের ঝুমু নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সারিকা কমনওয়েলথ বৃত্তি পেতে করণীয় সতেজতায় গ্রিণ টি বড় স্বপ্ন দেখার মাধ্যমেই সমাজকে পরিবর্তন করা সম্ভব পরিচর্যার মাধ্যমে মেধার মূল্যায়ন চাই বিজয় মানে তেমন করে অব্যক্ত অনুভূতি... প্রোষিতভর্তৃকার দীর্ঘশ্বাস বলছি না তোমায়, আমাকে মনে রাখতেই হবে (কবিতা) তুরস্কে পড়াশোনার জন্য কিভাবে ফুল ফ্রি স্কলারশিপ পাবেন? সেরা ক্যাম্পাস স্টার হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী রাবিতে খুদে কূটনৈতিকদের সম্মেলন সমাপ্ত বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী নাপা শাকের পেলকা দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে তরুণ সমাজ বড় ভূমিকা রাখতে পারে ইয়াং ডিজিটাল মার্কেটার পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের জাবেদ সুলতান পিয়াস ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে সহযোগিতা চাইলেন শাওন একদিনের ব্যবধানে শীর্ষ ধনীর মুকুট ফিরে পেলেন বেজোস ট্যুরিজম স্যুভেনির নিয়ে চার তরুণের উদ্যোগ উদ্ভাবক আমির হোসেন: মেইড ইন বাংলাদেশ (ভিডিও) ফাস্ট ফুডের দোকান থেকে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনী আশিক বছর সেরা জাপানের তরুণ বিজ্ঞানী বাংলাদেশের আরিফ তিনি ছিন্নমূল শিশুদের ‘মা’ ‘পারব স্যার, কোনো সমস্যা নেই’ দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই প্রাঞ্জলের ইতিহাস খাওয়ার পর মিষ্টি খেলে কি ওজন বাড়ে? বাংলাদেশের পাসপোর্টের রঙ সবুজ কেন? ভয়াবহ আকারে বেড়ে গেছে র‍্যাগিং, করণীয় কী? সাইক্লিংয়ে ঝুঁকছে তরুণ-তরুণীরা ভিন্ন রঙে আঁকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস  বিজয়ী স্টার্টআপরা পাবেন ১০ লাখ টাকা সেরা ১০ উদ্যোগ পাবে এক কোটি টাকা রেকর্ড গড়তে ভালোবাসেন আমি যেভাবে আইইএলটিএসে ৯ পেলাম পড়তে পড়তে চাকরি নাসায় আলোর তারা একটি সেতুর জন্য শিক্ষার্থীদের আকুতি ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ নানজিবা তোরসা সেরা বাংলাবিদ শাজেদুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুরুত্ব ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কে হচ্ছে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৯? ভাইরাল ভাইরাল চোখ সাজাতে সতর্কতা নখের কদর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাঁকরোল আশার আলো দেখছে ডাক বিভাগ দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহার করেন, সতর্ক হোন এখনই! কম সময়ে বেশি কাজ করার ৫ পরামর্শ স্মার্টফোনের সাহায্যে চলবে স্মার্ট এসি ঢাকায় লেক পরিচ্ছন্নতায় ইইউ প্রতিনিধি দল দরজা নেই কোন ঘরেই, তবুও হয় না চুরি বিদেশে পড়তে যাওয়ার আগে যা জানা জরুরি নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের কারিগর জ্যোতিকা চাকমা বিলের মধ্যে দুই সেতু, নেই রাস্তা দাঁড়িয়ে পানি পানের যত ক্ষতি কম পেঁয়াজ দিয়ে সুস্বাদু রান্নার ৭ উপায় চুলের উজ্জ্বলতা ফেরাবে ঘরে তৈরি ৪ হেয়ার প্যাক স্বস্তিকাকে ভক্তের কুপ্রস্তাব চিত্রনায়ক জসিমের ২১তম মৃত্যবার্ষিকী আজ নতুন বিজ্ঞাপনে মেহজাবিন আমরা কতটা মানবিক: সেলেনা ভিডিও গেম খেলেই কোটিপতি টিউশনির টাকায় চলছে মীর নাদিমের ‘পদ্মা পাড়ের পাঠশালা’ আত্মহত্যা সমাধান নয় বায়ুদূষণ রোধে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে র‌্যাম্প মডেলদের ফিটনেস–রহস্য ৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও অ্যানিমেশন কোর্সে ভর্তি স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর যেভাবে প্রাণের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে দেখতে চাই অত:পর, কোন একদিন...... দ্রুত ওজন কমানোর কিছু কৌশল জাপানের সুমিতমো বৃত্তি পেল ঢাবির ৪০ শিক্ষার্থী চীন যাচ্ছে ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি (আইএমটি) বাগেরহাটের ১০ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ও তরুণ প্রজন্ম বাজারে এলো বিশ্বের প্রথম উড়ন্ত মোটরসাইকেল ৩৯ দেশে রাশেদুলের ক্রিয়েশন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছিল আবরারের কোমল পানীয় যেভাবে ক্ষতি করে গর্ভাবস্থায় যেভাবে চুলের যত্ন নেবেন সাইকেল কেন চালাবেন? যে সাত লক্ষণে বুঝবেন সঙ্গীর সঙ্গে জীবন কাটানো যাবে সপ্তাহে কয়টি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত? নাচেই শরীর ফিট কাজ খুঁজছে ১৫ লাখ তরুণ-তরুণী হলিউডে বাংলাদেশের দুই তরুণ জাপান সরকার দিচ্ছে মেক্সট স্কলারশিপ উচ্চ মাধ্যমিকের পর ক্যারিয়ার পরিকল্পনা পুরুষের ত্বক ভালো রাখার ৪ কৌশল ওজন কমাতে সহায়ক তুলসি চা ব্রণের সমস্যায় যেসব নিয়ম মানা উচিত পাকস্থলীর আলসার প্রতিরোধে যা করণীয় প্রভাবশালী ব্রিটিশ রাজনীতিবিদের তালিকায় টিউলিপ বিশ্বকে বাঁচাতে কাজ করছেন যে নারীরা অ্যাম্বুলেন্সের স্টিয়ারিং হাতে তিন নারী আপনারা আমার স্বপ্ন আর শৈশব কেড়ে নিয়েছেন : গ্রেটা থুনবার্গ ইউনেসকোর স্বীকৃতি পেল নওগাঁর নৃত্য নিকেতন তাঁদের খবর রাখেনি কেউ তিন ভাইয়ের খেলা-পড়ার জগৎ কেন পড়ব রোবটিকস প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতা শুরু পূজার সময় সুস্থ থাকা যুদ্ধের ময়দান থেকে ফ্যাশন জগতে বাচ্চুর স্মরণে কোনো আয়োজন নেই এবার নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন ড্যাফোডিলে অ্যাকটিভেশন পর্ব ক্যাম্পাসের গানের পাখি সমৃদ্ধ সিভির জন্য মাসের খরচের টাকা বাঁচিয়ে ব্যতিক্রম লাইব্রেরি চালান রাজশাহীর বদর উদ্দিন ঢাকায় প্রথম পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমস সামিট ২৬ অক্টোবর রাজনীতি-ক্ষমতা ও তারুণ্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও তারুণ্য উদ্যোক্তা তৈরিতে সঠিক প্লাটফর্মের অভাব শিক্ষিত তরুণদের হাত ধরে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা কোনো বাধা মানবো না মেয়েরাই বন্ধ করছে বাল্যবিয়ে তিন চাকায় স্বপ্ন বোনেন সুনামগঞ্জের রানী 'ল্যাঙ্গুয়েজ লীগের' যাত্রা ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা নগর কৃষি ও পরিবেশ সংক্ষরণে ছাদবাগান নবীন পরিবেশবিদদের পদকজয় মাসে আয় ১৬০০ ডলার ব্যাংক হিসাব তরুণদেরই বেশি নাসার সফটওয়্যার প্রকৌশলী মাহজাবীন ওয়ার্ল্ড রোবটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ১৩তম বাংলাদেশ ঢাবিতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের ব্যাপারে যা বললেন ভিপি নূর ফ্রিডম অব দ্যা সিটি অব লন্ডন সম্মাননা পেয়েছেন সাবরিনা হুসাইন শাবিতে মেকনোভেশন-২০১৯ শুরু ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’সম্মাননায় ভূষিত প্রধানমন্ত্রী কে এই ক্যাসিনো সাঈদ? ক্যাসিনো বা জুয়া সমাজ ধ্বংসকারী বাংলাদেশে বিশ্ব শান্তি সামিট অনুষ্ঠিত ঢাবির রোকেয়া হলে শেখ কামাল স্মৃতি বিতর্ক ও সুলতানা কামাল স্মৃতি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ডেঙ্গু বিষয়ে জরুরি বার্তা: প্রয়োজন সতর্কতা দেশে এক তৃতীয়াংশ যুবক বেকার : ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য শিশুর প্রতি যৌনসহিংসতা: নজরদারি মানেই নিরাপত্তা নয় সবুজের সমারোহ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির যাবতীয় কার্যক্রম এখন  মোবাইল এ্যাপস "এডমিশন এসিস্ট্যান্ট" এ মানুষ স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখে না, স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে; মাশরাফি: এক উদ্দীপনার নাম সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাত দূরীকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে সৃষ্টিশীল তারুণ্য আক্রান্ত তারুণ্য, বিপর্যস্ত তারুণ্য Young people urged to promote peace ৭১-এর আওয়ামী লীগের ভাবনায় তারুণ্য তুরস্কে ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি তরুণ হাসান কবির সেরা তারুণের ভাবনায় আওয়ামী লীগ শীর্ষক মতবিনিময় ২৯ জুন বাংলাদেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর হচ্ছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) বিশ্ব উদ্যোক্তা সম্মেলনে বাংলাদেশের ৬ তরুণ খেলাধুলায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের নারী ঢাকায় কমিউনিকেশন ফর ক্যারিয়ার শীর্ষক কর্মশালা ৪ মে বানানভীতি রোধে প্রসঙ্গ ব্যাবহারিক বাংলা রক্তে লেখা বাংলা ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শীর্ষক বইয়ের আত্মপ্রকাশ একজন মানবসম্পদ কর্মী হওয়ার প্রাথমিক পাঠ কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজমে রহস্যময় সুন্দরবনের সৌন্দর্য কলাগাছিয়া ইকোট্যুরিজমে রহস্যময় সুন্দরবনের সৌন্দর্য স্বপ্ন জয়ের স্বপ্নযাত্রা বই উৎসব সরকারের এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ ভিন্নদৃষ্টির বিজয় র‍্যালি আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয় তরুণ প্রজন্মের উদ্যোক্তা হওয়ার বাধা জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাফল্য তারুণ্যবান্ধব ইশতেহার চাই সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না শিক্ষাব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার চাপ নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে ফেলেছে সাজগোজের রিমি নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণদের প্রত্যাশা কীভাবে নিবেন একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও স্মার্ট ডিসিশন কীভাবে নিবেন একটি বুদ্ধিদীপ্ত ও স্মার্ট ডিসিশন এগিয়ে চলেছে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে চলছে মেট্রোরেলের কাজ ফ্রেশাররা কেন চাকরি পায়না ইন্টারভিউ নেয়ার সঠিক ও জরুরি কৌশল ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত মিটিং করার আগে ভাবুন তারুণ্যের উৎসব বাংলাদেশ ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম-২০১৮ অনুষ্ঠিত হবে ৩০শে অক্টোবর ভয়ংকর আগস্ট ভালো হতে চেয়েছিলাম (ছোটগল্প) সেই পাখিটা রাসেল এইচআর নিয়ে একডজন ভুল ধারনা এবং উত্তর বিশ্ব শান্তির প্রসারে দক্ষিণ কোরিয়ার শান্তি সামিট অনুষ্ঠিত আত্মহত্যা নয়, জীবনকে উপভোগ করুন চবি ক্যাম্পাসে উজ্জ্বল রুমান কনভারশন ডিসঅর্ডার: দরকার সচেতনতা   ইউএনও’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: দৃষ্টিনন্দন বিল পরিস্কার করলেন নিজেই যুদ্ধকালীন সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণ পেলেন রবিউল হাসান ম্যানেজমেন্ট অ্যপ্রোচ ও ভিশন: মালিক-এর চাওয়া ও কর্মী’র প্রতিক্রিয়া দেখে এলাম এশিয়ার সর্ববৃহৎ ক্যাকটাস নার্সারি ওয়াইএসএসই-এর “রেজোন্যান্স-২.১ অনুষ্ঠিত demo_post সমাজকর্ম শিক্ষা, অনুশীলন ও সামাজিক উন্নয়ন: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ নোবিপ্রবিতে ভর্তি আবেদন ১৬ই অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি ঋতুর রানী শরৎ- কবিতা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধ    তরুণ প্রজন্মই পারে সবুজ পৃথিবী গড়তে উচ্চশিক্ষা ভাবনা, ক্যারিয়ার প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণ ১৭ সেপ্টেম্বর দক্ষিন কোরিয়ায়  শান্তি সামিট শুরু অনলাইনে হয়রানির শিকার হলে যা করবেন নিজের উদ্ভাবিত বিদ্যুতে ঘর আলোকিত রাসেলের ইউনুছের পাঠাগার আন্দোলন আমার ভাষা আমার দায়িত্ব আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ইউআইইউ চুয়েটে বাংলাদেশ প্রেক্ষিত শীর্ষক কর্মশালা শুক্রবার চুয়েটে বাংলাদেশ প্রেক্ষিত শীর্ষক কর্মশালা শুক্রবার ১৫ জনের জীবন বাঁচিয়েছে কিশোর সুমন শিল্প, সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় ৫ তরুণকে সম্মাননা তারুণ্যের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সোনার দেশ এন্ট্রারপ্রেনারশিপ ভিস্তা কর্মশালা ২৯ সেপ্টেম্বর একগুচ্ছ কবিতা বিশ্বাসযোগ্যতাই ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি শ্রীলংকায় বিচিত্র অভিজ্ঞতায় নয়দিন প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সফল ভিডিও সম্পাদক রশিদ পরিবর্তিত সমাজে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য একটি চমৎকার এইচআর সিস্টেমের স্বরূপ বিশ্লেষণ তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সাক্ষাতকার দূরেই থাকুক দুই ঠিকানা (কবিতা) নতুন সামাজিক সংগঠন ‘জাগ্রত তেঁতুলিয়া’-র যাত্রা শুরু নতুন সামাজিক সংগঠন ‘জাগ্রত তেঁতুলিয়া’-র যাত্রা শুরু র‌্যাগিং একটি অপরাধ, চাই প্রতিকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ব্র্যান্ড এইড ২০১৮ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বিমূর্ত শিল্পী মনসুর কাযী তরুণদের জন্য নিবেদিত একমাত্র অনলাইন পত্রিকা ইয়ুথ জার্নালে ফিচার রাইটার আবশ্যক ইংরেজিতে দক্ষতা এবং এপ্রোপ্রিয়েট ইন্টারভিউয়ের গুরুত্ব ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর স্কুলে ‘মহানুভবতার দেয়াল’ সেপ্টেম্বরই ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি বিএনপির ভুল ও উদার-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ঝুঁকি তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তরুণ নেতৃত্বের সুদিন ফিরুক প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা যেমন হবে তারুণ্য ধরে রাখতে গ্রিন টি অহেতুক....(কবিতা) কর্মস্থলে সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক ইয়ুথ স্কুল ফর স্যোসাল এন্ট্রাপ্রেনারস এ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ এই উচ্চশিক্ষিত বেকার তরুণেরা যাবেন কোথায়? স্বল্প বাজেটে নেপাল ভ্রমন চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল নিজেই জানাবে চোরের মোবাইল নাম্বার ও অবস্থান আবুল স্যার : খেলোয়াড় তৈরির কারিগর পানির ফোয়ারায় জাতীয় পতাকা উদ্ভাবন মাদারীপুরের দুই শিক্ষার্থীর শেখ রাসেলের গল্প Demo Video কচি-কাঁচার ক্যারিয়ার চিন্তা: একটি পর্যবেক্ষণ যুবসমাজকে এগিয়ে নিতে পারে নিরাপদ পরিবেশ কচি-কাঁচার ক্যারিয়ার চিন্তা: একটি পর্যবেক্ষণ কচি-কাঁচার ক্যারিয়ার চিন্তা: একটি পর্যবেক্ষণ না মেরেই পিঁপড়া দূর করবেন যেভাবে কৈশোর তারুণ্যের ক্লাস রুমের পাশে বই ত্বক ফর্সা করতে আমলকির ফেসপ্যাক সফল এর সেই ১৫টি উক্তি, বদলে যাবে জীবন সফল এর সেই ১৫টি উক্তি, বদলে যাবে জীবন যুবক মোটিভেশন ক্যাম্পাসে এড়িয়ে চলবেন যাদের ঈয়েশির ভালবাসা ও টাইগার নেস্ট মোবাইল ফোনে কাটান? মানসিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার উপায় হুমায়ূন আহমেদের উপর সানজিদা ইসলামের পিএইচডি গ্লোবাল টিচার্স এ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন আদিল বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির বৃত্তি ইবি শিক্ষার্থীর অভিনব আবিষ্কার সুন্দর চুল তরুণ প্রজন্মকে গণতন্ত্রে আগ্রহী করে গড়ে তুলতে হবে আধুনিক গণতন্ত্র, উদার তথ্য প্রবাহ ও অগ্রযাত্রা তারুণ্য ও রাজনীতির আবশ্যকতা একজন সফল খামারি ও উদ্যোক্তার গল্প ইচ্ছা আর বুদ্ধির সমন্বয় ঘটিয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন মায়া মাটির মায়ার মাহফুজ বাংলাদেশি তরুণের উদ্যোগে যুক্তরাজ্যে গ্লোবাল এনার্জি মুভমেন্ট কৃত্রিম মানব ফুসফুস বানিয়ে সাড়া ফেললেন বাংলাদেশি তরুণী তিন বন্ধুর এক গান অপরাধী খ্যাত টুম্পাকে নিয়ে তপুর ‘একটা গোপন কথা’ জান্নাত’র প্রচারণা সম্মুখে সমূহ অন্ধকার, জাগো হে তরুণ! তরুণ, শুরু করার আগেই হতাশ কেন? অগৌরবময় আত্মগরিমার সংস্কৃতির পরিবর্তন জরুরি নবীন প্রজন্মের সৎ, যোগ্য ও নেতৃত্ব এগিয়ে আসতে হবে বিতর্ক কথন শেখ কামাল হতে পারেন তারুণ্যের আইকন যবনিকার ফাঁকে ছেলেটি এখন কবি- ছোটগল্প কবিতা: তোমাকে দেখার পরে জনপ্রশাসন পদক পেয়ে দায়িত্ব বেড়ে গেল তরুণদের অল্পতেই হতাশ হলে চলবে না ইংরেজি বিতর্কে সেরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকর্মের শিক্ষা স্বপ্ন দেখায় আলোকিত মানুষ হওয়ার চাকরিটা হাত ফস্কে যাচ্ছে বারবার, কিন্তু কেন? তামায়ুজ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড: প্রথম পুরস্কার পেল বাংলাদেশি নিশাত অভিজিতের ঘুরে দাঁড়ানো মাত্র ৫ হাজার টাকায় ঘুরে আসুন দার্জিলিং কোটি পেরিয়ে কণা সবুজায়নের চ্যালেঞ্জে মহেশ বাবু ও কন্যা সিতারা উদ্ভাবনে মেধাবী তরুণ দল সুযোগ আছে ট্যুরিজম ব্যবস্থাপনায় সঙ্গী যখন আইএসআইসি কার্ড ঘড়িতে স্মার্টনেস কখন কেমন ব্যাগ এয়ার হোস্টেস প্রফেশন যখন গ্ল্যামারাস সৌন্দর্য নিয়ে তরুণ-তরুণীদের ভাবনা নাগরিক সমাজ, উদার গণতন্ত্র ও সমাজ-বিবর্তন ধারা উগ্রপন্থা ও আমাদের রাজনীতি ধানমণ্ডিতে শুরু হলো ৩ দিনব‌্যাপী তরুণ উদ্যোক্তা পণ্য মেলা চাকরির জন্য নিজেকে কীভাবে প্রস্তুত করবেন ইন্টারভিউ বোর্ডে সচরাচর ৫ প্রশ্ন ক্যারিয়ার নির্বাচন সামাজিক মেলবন্ধন জাপানে উচ্চশিক্ষা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লেটস টক’ ফাইনাল প্রতিযোগিতা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের হাঙ্গেরিতে ‘নিউক্লিয়ার কিডস’ মিউজিক্যাল শো কোন পথে বাংলাদেশের স্পর্ধিত তারুণ্য! ব্যাগেই আস্ত একটি স্কুল! টরন্টোর শীর্ষ মেধাবীর তালিকায় বাংলাদেশি মীর্জা নাহিয়ান রমজানে গরুর মাংসের দাম ৪৫০ টাকা, খাসি ৭২০ টাকা নির্ধারণ সত্যিই সেলুকাস, এ এক অদ্ভুত উন্নয়নের দেশ! ক্যারিয়ার সমন্বয়হীন পরীক্ষায় বেকায়দায় চাকরিপ্রত্যাশীরা! তরুণ ও তারুণ্য "ভালোবাসা এবং ভালোবাসা" কোটা সংস্কার: 'হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার' গরমে শিশুর আরাম ঢাকায় ব্রাজিলের খাবার ডায়েরির পাতায় পাতায় গরমে আরামে ফ্যাশনে ভুল ধারণা যত ‘প্রিন্স মাহমুদ মিক্সড’ অ্যালবামে গাইলেন তপু ও কনা বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তরের কর্মপরিকল্পনার কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী কোন তরুণদের পক্ষ নেবে সরকার? কোন তরুণদের পক্ষ নেবে সরকার? কোন তরুণদের পক্ষ নেবে সরকার? কোন তরুণদের পক্ষ নেবে সরকার? কোন তরুণদের পক্ষ নেবে সরকার? ফুটপাত বন্ধ করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ৩২ দিন পর ছাড়া পেয়ে অপহৃত হিল উইমেন্সের দুই নেত্রীর বর্ণনা রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রতি নেতাদের সংহতি গাজীপুর সিটিতে ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলবেন নারী শ্রমিকেরা খাবার স্যালাইন বিশ্বব্যাপী পাঁচ কোটি শিশুর জীবন রক্ষা করেছে খাবার স্যালাইন বিশ্বব্যাপী পাঁচ কোটি শিশুর জীবন রক্ষা করেছে
;

পরিচর্যার মাধ্যমে মেধার মূল্যায়ন চাই


বুয়েট শিক্ষক সুকর্ণ বড়ুয়া ’র কিছু কথা
বুয়েট এর সহকারী অধ্যাপক সুকর্ণ বড়ুয়া ২০০৯ সালে বুয়েটের সকল বিভাগ এর সম্মিলিত ফলাফলে প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং এই সম্মানে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান এর হাত থেকে ‘বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণ পদক’ পান। আজকের গুণীজনের কথায় থাকছে এই মেধাবী মানুষটির সাক্ষাতকার। 


জন্ম ও পরিবার:

কর্ণফুলি নদীর পাড়ে চট্টগ্রামের পূর্ব মাদারবাড়িতে তার জন্ম। পিতা ব্যবসায়ী সুভাষ বড়ুয়া এবং মাতা শিখা বড়ুয়া। এক বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বড় বোন বর্তমানে সোনালী ব্যাংকে ব্যাংকার হিসেবে কর্মরত এবং বড় ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। স্ত্রী অনন্যা বড়ুয়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করছেন।শৈশবটা কেটেছে চট্টগ্রামেই। প্রায়ই যেতেন কর্ণফুলির নদীর পাড়ে, জেটিতে বাঁধা জাহাজে উঠে পড়তেন বড় ভাই-বোনের সাথে। পারিবারিক নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ছোটবেলায় তিনি ডানপিটে ছিলেন না, তবে রাজ্যের সব প্রশ্ন ভর করত তার মাথায়। জানার আগ্রহ এবং পারিবারিক পরিবেশে ছোটবেলা থেকেই বড় ভাই-বোনের মত মেধাবী হয়ে ওঠেন।

শিক্ষা জীবন:

২০০১ সালে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে জিপিএ ৪.৬৩ (৪র্থ বিষয় ছাড়া) পেয়ে এসএসসি পাশ করেন। ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি তে চট্টগ্রাম বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪.৮০ পেয়ে পাশ করেন। এরপর বুয়েটে ভর্তি হন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে।বিশ্ববিদ্যালয় গোল্ড মেডেলিস্ট সুকর্ণ বড়ুয়া এমএসসি করেন নিজ বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট থেকে। এমএসসি তে তার গবেষনার বিষয় ছিল “Improving Classifiers Performance on Imbalanced Data Set”। বিভিন্ন বাস্তব সমস্যায় ডাটা সেট নিয়ে কাজ করার সময় দেখা যায়- যে দুটো গ্রুপে আমরা ডাটাগুলোকে আলাদা করতে চাই, সেখানে একটি গ্রুপের ডাটার পরিমাণ অনেক বেশি আর অন্য গ্রুপের ডাটার পরিমাণ অনেক কম হলে, বিদ্যমান ক্লাসিফায়ার গুলো ভাল ফলাফল দিতে পারে না। সুকর্ণ বড়ুয়া স্যারের গবেষনা ছিল এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কৃত্তিমভাবে কিছু ডাটা সেট তৈরী করে কিভাবে ক্লাসিফায়ারগুলো এক্ষেত্রে আরও ভাল ফলাফল দিতে পারে।গবেষণা পত্রটি IEEE Transactions on Knowledge & Data Engineering এবং PAKDD (Pacific Asia Conference on Knowledge Discovery and Data Mining) এর মত বিশ্বখ্যাত জার্নাল এবং কনফারেন্সে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে উক্ত গবেষণা পত্রের উপরে গবেষনা করেই বিশ্বের বিভিন্ন জন আরও কাজ করেন। বর্তমানে এর পাশাপাশি তিনি “Special Query Processing” এর উপর গবেষনা করছেন।

কর্মজীবন:

বর্তমানে তিনি বুয়েটের কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপশি তিনি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক-এ স্বল্পকালীন শিক্ষক হিসেবেও অধ্যাপনা করছেন। এছাড়াও সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন। এই কৃতী মানুষটির সাক্ষাতকার সরাসরি তুলে ধরা হলঃ

আপনার স্কুল এর সময়, কলেজ এর সময় এবং বুয়েট এর সময় এর মধ্যে কোনটার অনুভূতি কেমন আপনার কাছে?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া : বেশিরভাগের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ভাল লাগলেও আমার হয়েছে উল্টো। স্কুল ও কলেজ জীবনে পারিবারিক নিয়ন্ত্রনের মধ্যে থাকলেও অনেক বন্ধু পেয়েছিলাম, ক্লাশের পরিমাণ ছিল কম, আড্ডা ছিল বেশি, পড়াশোনাও করেছি কম। ভাল স্মৃতি আছে অনেক। বুয়েটে এসে পারিবারিক স্বাধীনতা পেয়েছি একদিক থেকে ঠিকই কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং এ প্রতি সপ্তাহে ৩/৪টা ল্যাব, পরীক্ষা, এসাইনমেন্ট মিলিয়ে পড়াশোনার চাপে আমার আসলে একঘেয়েই লেগেছে। সেরকম ঘোরাঘুরি কখনও হয়নি।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হয়েছিলেন কেন?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  আসলে অনেকটা বাবা-মা’র ইচ্ছাতেই ইঞ্জিনিয়ারিং এ আসা। তাছাড়া ছোটবেলা থেকে গণিত ভাল লাগতো খুব। এজন্য মেডিকেলে পরীক্ষা দিয়েও সেখানে ভর্তি হইনি। আর, ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর সুযোগ আছে- এসবই।

বাবা-মা’র প্রসঙ্গে আসি। দেখা যায় বাবা-মা রা তাদের অভিজ্ঞতার কারণে সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তায় পড়াশোনার বিষয়টি ছোটবেলা থেকেই অনেকটা চাপিয়ে দেয়। পড়াশোনার বিষয় কি সন্তানের আগ্রহের উপরে ছেড়ে দেয়া উচিত নয়?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  এখানে আসলে দুটো বিষয় আছে। সন্তান যে বয়সে এ সিদ্ধান্তগুলো নিবে, তখন তার বয়স পরিপক্ক হয়নি। একটা ছেলে হয়তো ক্রিকেটটা ভালই খেলে, কিন্তু ক্রিকেট খেলে আসলেই সে জাতীয় দলে ঢুকতে পারবে কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। বাবা-মা সন্তানের জন্য সে বিষয়টিই খুঁজে থাকেন যেখানে সন্তানের ভবিষ্যতে ভাল করার ঝুঁকি কম। আসলে সিদ্ধান্তগুলো নির্ভর করে বাবা-মা ও সন্তানের বোঝাপড়ার উপর। সন্তানের সাথে বাবা-মা’র সম্পর্ক ভাল হলে দুজনে বসে যুক্তি-তর্ক দিয়ে বিষয় বাছাই করা অনেক সহজ হয়। শুধু যে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়াররাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত তা তো নয়। বর্তমান যুগে এসে অবশ্য বাবা-মা’র ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের আগ্রহকে প্রাধান্য দেয়ার সংখ্যা বাড়ছে।

আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনার মনোভাব কি?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক সমস্যা আছে, এটা সবাই জানে। আমাদের শিক্ষকের সংখ্যা যেমন কম, শিক্ষকরাও তেমন আপ-টু-ডেট না। গ্রামাঞ্চলে ভাল শিক্ষকের খুব অভাব। অথচ সবচেয়ে মেধাবী, ভাল শিক্ষকদেরকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখা উচিৎ ছিল, কেননা এ জায়গাটাই ছাত্র-ছাত্রীদের মন ও মনন বিকাশের উৎস। এজন্য যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের চাইতেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেতন বেশি দেয়া হয় তাতেও আমার আপত্তি নাই। কারণ আমি দেশের মানুষের টাকাতেই পড়াশুনা করেছি, আমারও দায় আছে দেশের প্রতি।

আবার আমাদের ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার সংখ্যা খুব বেড়ে গেছে। পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি- উচ্চ বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরোতেই বড় ৩টি পরীক্ষা দিতে হয়। সেই সাথে আছে সেমিস্টার প্রতি ক্লাশ টেস্ট, ফাইনাল, মডেল টেস্ট- কত শত পরীক্ষা! এখন তো প্রথম শ্রেণীর ভর্তি হতেও একটা বাচ্চাকে রীতিমত যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে হয়। এত পরীক্ষা যেখানে থাকে সেখানে একজন ছাত্র মুক্তচিন্তা করবে কখন, সে পাঠ্যপুস্তকের বাহিরের বই পড়বে কখন! এভাবে বিরাট চাপে থাকার কারনে ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক বিকাশ যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তেমনি তারা মুক্তচিন্তা করার মত সুযোগই পায় না।

এবং আমাদের এই নিত্য নতুন শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর কোনটারই কিন্তু গবেষনা করা হয়নি। গবেষণা করে বের করা হয়নি যে সিস্টেমটা ফলপ্রসূ হচ্ছে কি না! আমি একবার যুগান্তরে একটি কলামে লিখেছিলাম- যদি এমন করা যেত যে শহরের কিংবা ভাল স্কুলের ভাল বেতনের ভাল শিক্ষকরাও অন্তত বছরে ১ মাস গ্রামের কোন স্কুলে গিয়ে শিক্ষাদান করবেন, তাহলে গ্রামাঞ্চলের ছেলে-মেয়েরাও ভাল শিক্ষকদের সান্নিধ্য পেত। এজন্যই যেকোন ভর্তি পরীক্ষায় গ্রাম এলাকার একটি ছাত্রের জন্য অল্প সংখ্যক কিছু কোটা পদ্ধতি রাখার ব্যাপারে আমার ব্যক্তিগত মত আছে। কেননা সে তো শহরের একটি ছাত্রের তুলনায় অনেক কম সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে।

সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি নিয়ে আপনার মত?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি খুবই কার্যকর পদ্ধতি। কিন্তু সেটার সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। সাথে সৃজনশীল পদ্ধতিতে উত্তর দিতে ছেলেমেয়েদের কেও কিন্তু সেভাবে শেখাতে হবে। আমার তো মনে হয়- এখনো যথাযথ সৃজনশীল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র করা হয়না, কেননা আমার ব্যক্তিগত ধারনা, যদি তা করা হত, তবে ফলাফল কিন্তু আগের তুলনায় খারাপ হত। কিন্তু আমাদের এস এস সি, এইচ এস সি-র ফলাফল তো ভাল থেকে ভালতর হচ্ছে। আমার আশা - এ পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ করার মাধ্যমে শিক্ষার প্রকৃত মান ভাল করা যাবে। তবে, এর জন্য ভাল বেতন দিয়ে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ করাটা পূর্বশর্ত।

পরীক্ষা প্রসঙ্গ চলে আসলো! আইনস্টাইন নিজেই যেমন পরীক্ষা পদ্ধতির বিরুদ্ধে ছিলেন। তিনি বলতেন কেউ যদি তার লেকচার নিয়মিত শোনে এবং লেকচার শেষে তার প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারে তাহলে তিনি এমনিই তাকে পূর্ণ নম্বর দিয়ে দিবে। অনেক ভাল শিক্ষার্থীরও আবার পরীক্ষা ভীতি কাজ করে। এবং এই পরীক্ষার ফলাফল থেকেই ছাত্রের মান যাচাই করা হচ্ছে। আপনার এ নিয়ে বক্তব্য কি?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া : ফলাফল কখনও একজন ছাত্রের মান যাচাইয়ের একমাত্র মানদন্ড হতে পারে না। পরীক্ষা এবং পরীক্ষার ফলাফল আসলে যে কোর্সটি সেই ছাত্র করল তার উপরে তার দক্ষতা যাচাইয়ে সম্ভাব্য ধারণা দেয়। ছাত্রটি উক্ত বিষয় সম্পর্কে কতটুকু জ্ঞাত, তা বুঝতেই এই পরীক্ষা পদ্ধতি। তবে অনেক ছাত্র ভাল ফল করলেও সে ঐ বিষয় সম্পর্কে ভাল রকমে দক্ষ তা কিন্তু বলা যায় না, মুখস্ত করেও ভাল ফল করা যায়। আবার অনেক ছাত্রের ফল ভাল না হলেও সে উক্ত বিষয়ে ভাল রকমের দক্ষ হতেই পারে। তাই শুধু এই ফলাফল দেখেই কিন্তু চাকরি হয় না। চাকরি কিংবা ভর্তি প্রক্রিয়ায় শুরুতে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যের ছাত্রদেরকে ডাকা হয় এই আশায় যে প্রতিষ্ঠানটি যে ধরনের ছাত্র আশা করছে তা এই সীমার মধ্যেই আছে। কিন্তু চাকরি পাওয়া নির্ভর করবে তার কারিগরী জ্ঞানের উপর। আমাদের এরকমও ছাত্র আছে যারা বিশ্বের সর্বোত্তকৃষ্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে গিয়েছে, কিন্তু পরীক্ষার ফলাফল ততটা ভাল নয় এবং এক বিষয়ে ফেল ও করেছে। তাতে কিছু যায় আসে না। গুগল তাকে চাকরি দিয়েছে নির্দিষ্ট বিষয়টাতে সে কতটুকু দক্ষ তা যাচাই করে। আর সীমা নির্ধারণেরও যুক্তি আছে। তা হলো- ফলাফল অন্তত মোটামুটি হওয়া জরুরী। নাহলে প্রতিষ্ঠানটি তোমার ফলাফল দেখে এটাই ভাববে যে- ছেলেটি যতই মেধাবী হোক না কেন, সে কখনও তার কোর্সে গুরুত্ব দেয়নি। আর যে ছেলে ঠাট্টাচ্ছলে তার কোর্স পার করে, সে নিশ্চয়ই তার কাজের প্রতিও অবহেলা করবে, তাই তখন কোন প্রতিষ্ঠানই তাকে নেয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে না।

পরবর্তী প্রশ্ন ছিল পরীক্ষা ভীতি নিয়ে। বর্তমানে এতগুলা পরীক্ষা দিয়ে এসে মনে হয় পরীক্ষা ভীতি আর থাকার কথা না।

আর বাস্তবতা বিবেচনায় আইনস্টাইনের বক্তব্যের সাথে আমি একমত না। শুধু নিয়মিত ক্লাশ করলে আর লেকচার শেষে কতিপয় শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করে সদুত্তর পেলেই সবাইকে পূর্ণ নম্বর দেয়া যায় না। সমগ্র কোর্সের উপরে তার দক্ষতা যাচাই প্রয়োজন। পরীক্ষা হলো সেই মান যাচাইয়ের পদ্ধতি। তবে হ্যা, ফলাফল খারাপ করলেই তার মেধা নেই বলা যায় না। আমাদের সমাজে যারা প্রতিষ্ঠিত তাদের সবাই কি এসএসসি তে ফার্স্ট ডিভিশন ফার্স্ট ছিলেন! তা তো না, কিন্তু তারা তাদের মেধা দিয়ে, পরিশ্রম দিয়ে ঠিকই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাই পরীক্ষার পদ্ধতি ঠিক আছে বলেই আমার মনে হয়। তবে পরীক্ষার সংখ্যা এবং প্রশ্নের মান পরিবর্তন হওয়া দরকার।

আমাদের  ছোট বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানমনস্ক ভাবে গড়ে তোলার চর্চা খুবই কম। এদিকে চর্চা কম হচ্ছে কেন, বাঁধা কোথায়?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  আমি যেটা আগেও বললাম যে আসলে আমরা এখনও প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ করতে পারছি না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিন্তু সবচাইতে ভাল ফলাফলকারী মেধাবী শিক্ষার্থীরাই শিক্ষক পদে নিয়োগ পায়, কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সে সুযোগ নেই। মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারলে শুধু বিজ্ঞানমনস্ক কেন গণিত, চিত্রকলা এমনকি খেলাধূলার চর্চাও করানো যেত। তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এমন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া দরকার যিনি মেধাবী এবং শিক্ষার্থীদেরকে এসব বিষয়ে চর্চা করাতে আগ্রহী। সেজন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও অনেক বাড়াতে হবে।

আমাদের যে গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড এর মত প্রতিযোগিতাগুলো আয়োজন করা হয়, সেখানে শুধু প্রতিযোগিতাই হয় কিন্তু তাদেরকে শেখানোর কাজটা কিন্তু বাকী থেকেই যায়। এই আশা করা হয় যে, প্রতিযোগিতায় আসতে গেলে এবং প্রতিযোগিতার পরিবেশে আসলে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই শিখে নিবে। কিন্তু যারা ভাল করছে তারা আসলে আগে থেকেই ভাল, তারা আসলে এমনিই মেধাবী। যারা একটু কম মেধাবী তারা পরিচর্যার মাধ্যমে ভাল জায়গায় গিয়েছে এমন সংখ্যা খুবই কম। তা তো ঠিক না। তাদেরকে আগ্রহী করতে হবে, তাদের চিন্তা-চেতনায় সাহায্য করতে হবে, শেখাতে হবে। আর মেধার মুল্যায়ন যদি ঠিকমতো না হয়, তাহলে কিন্তু মেধার বিকাশও হবে না। কারণ যারা মেধাবী কিন্তু একটু পরিচর্যা আর মুল্যায়নের অভাবে এগোতে পারছে না, তারা একটা সময়ে হতাশ হয়ে যাবে। আর এক্ষেত্রে কাজ করতে হবে সরকারকেই। যেগুলো প্রসঙ্গ উঠে আসলো আজ সবগুলোতেই সরকারকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষা খাত অবৈতনিক করা দরকার কি?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  সবার সামর্থ্য যেহেতু এক না আর পরিচর্যার অভাবে যেহেতু অনেক মেধা ঝরে যায়, তাই অবৈতনিক করা গেলে খুবই ভাল। তাছাড়া শিক্ষা তো নাগরিক অধিকারের মধ্যেই পড়ে। আমি যদি শিক্ষা খাতে ব্যয় করে আমার জাতিকে শিক্ষিত করে তুলি সেটা তো আমাদের জন্যেই ভাল। শিক্ষিত হয়ে গেলে প্রতিটি পরিবার নিজেরাই স্বচ্ছল হয়ে যাবে, দারিদ্রতা দূর হয়ে যাবে, অর্থনীতি চাঙ্গা থাকবে। অবৈতনিক করা গেলে শিক্ষার্থীদের উপরও মানসিক দায়িত্ব পড়ে যায় যে যে জনগনের টাকায় আমি শিক্ষিত হলাম তাদের জন্য আমার কাজ করতে হবে। তবে, এক্ষেত্রে শুধু গ্রাম/মফস্বল এলাকার বিদ্যালয়গুলো অবৈতনিক করলে অনেক ভুয়া রেজিস্ট্রেশন এর শিক্ষার্থী পাওয়া যেতে পারে। তাই অবৈতনিক করতে গেলে সকল জায়গার বিদ্যালয়গুলোকে একসাথে অবৈতনিক করাই উচিত। অবৈতনিক করা না গেলেও অন্তত বাইরের দেশের মত ঋন নিয়ে শিক্ষা নেয়ার পদ্ধতি চালু করা যায়, শিক্ষাজীবন শেষে চাকুরি করে সেই ঋন শিক্ষার্থী পরিশোধ করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পড়াশুনাও বাধাগ্রস্ত হবে না, আবার সাথে এটাও সে বুঝতে পারবে যে, দেশের মানুষের টাকায় পড়াশুনা করেছে, সুতরাং সেটা আবার দেশকেই ফেরত দিতে হবে। সরকার একজন শিক্ষার্থীর জন্য কত টাকা খরচ করছে, এটা আমাদের সকলেরই অনুধাবন করতে হবে।

এবার আপনার বিভাগে ফিরে আসি। প্রোগ্রামিং এ দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার উপায় কি?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  প্রোগ্রামিং নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করা হয়েছে, আমিও অনেক চিন্তা-ভাবনা করেছি। আমার মনে হয় প্রোগ্রামিং অনেক সময় নিয়ে শেখানোর বিষয়। এটা অন্য ৮-১০টা বিষয়ের মত স্বল্প সময়ের কোর্স না যে আমি লেকচার দিলাম, তোমরা মন দিয়ে শুনলে, পরীক্ষা দিলে আর পেরে গেলে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অন্য বিষয়গুলোর মত প্রোগ্রামিং এর জন্যও লেকচারের সময় বরাদ্দ একই থাকে। শিক্ষার্থীদের মেধা কম তা আমি বলব না, তবে সব শিক্ষার্থীর দ্রুত গ্রহণ করার ক্ষমতা তো আর একরকম না, সবাই প্রোগ্রামিং এত স্বল্প সময়ে ধরতে পারে না। ছাত্রদের প্রোগ্রামিং এ ভাল করতে গেলে ক্লাশে যেমন মনযোগী হতে হবে, পরেও ২-৩ গুণ বেশি সময় দিতে হবে, বাসায় প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পিছনে প্রচুর সময় দিতে হবে। এক্ষেত্রে একেকজন শিক্ষার্থীকে একেকরকম সময় দিতে হবে। তবে নিয়মিত যদি ২-৩ ঘন্টা প্রোগ্রামিং করা হয়, তাহলে যেকোন ছাত্রই এটা আয়ত্ব করতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস। ‘প্রতি সপ্তাগে আমি অন্তত ১০টা নতুন প্রোগ্রামিং সমাধান নিজে করব’ – এরকম একটি পরিকল্পনা করে আগানো যেতে পারে। আর, একবার যদি একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এ পরিষ্কার ধারণা চলে আসে, তাহলে তাকে আর পিছিয়ে থাকতে হবে না, তার জন্য অন্যান্য ল্যাংগুয়েজ শিখতেও বেশি সময় লাগবে না।

কম্পিটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের আপনার শিক্ষার্থীদের দেশে ভবিষ্যত কেমন?

•    সুকর্ণ বড়ুয়া :  নিঃসন্দেহে খুবই ভাল। পুরো দেশই এখন আইসিটি’র দিকে যাচ্ছে। সরকার আইসিটি তে বরাদ্দ প্রচুর দিচ্ছে, সামনে আরও বাড়বে। আইসিটি পার্ক তৈরী হলে দেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানসমূহের শাখা যুক্ত হবে, তখন এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাজের পরিসর বাড়বে। এমনকি অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আইসিটি’র উপরে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আসলে কর্মসংস্থানের জায়গা এখনও অনেক পরে আছে, কিন্তু যোগ্য লোকের অভাব রয়ে গেছে। আমি আশা করি এ জায়গাগুলোই আমার শিক্ষার্থীরা যোগ্য জায়গা করে নিবে।

বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ রুদ্র কাওসার, বিশেষ প্রতিবেদক , ডেইলি দর্পণ


মন্তব্য


Load More 10 Comment

সর্বশেষ সংবাদ

Related News